স্টাফ রিপোর্টারঃ মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে সাংবাদিকসহ প্রশাসনের কাছে আর্জি জানালেন হত দরিদ্র ভ্যান চালক মোঃ অকেদ আলী কারিকর (৬২)। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে দেবহাটা উপজেলার পুষ্পকাটি গ্রামের মৃত ঈমান আলী কারিকরের পুএ অকেদ আলী কারিকর বলেন, একখন্ড পৈত্রিক সম্পত্তিতে আমরা ছেলে-মেয়েরা দুটি ঘর করে দিনমজুরি ও পা ভ্যান চালিয়ে কোনরকমে জীবন যাপন করে আসছি। প্রতিবেশী মৃত ঠান্ডাই কারিকরের ছেলে লোকমান হোসেন তার বড়ভাই নুর আলীর ছেলে আশরাফুল ইসলাম ও নাহিদ ইসলাম এবং সেজভাই রজব আলী সহ শরীকের অন্যান্যদের নজর পড়ে আমার সামান্য ভিটেমাটির উপর। তারা আমার ও ছেলের ঘরের মাঝখান দিয়ে রাস্তা তৈরির চেষ্টা করলে আমরা তাতে বাঁধা দিই। এরপর তারা আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকে।এদিকে, জমির জাল জালিয়াতির ঘটনায় লোকমান সহ জালিয়াতিদের বিরুদ্ধে আমরা আদালতে মামলা দায়ের করি। এঘটনার পর থেকে তারা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে খুন, গুম করা সহ বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় তারা আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি শুরু করে। গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে লোকমান হোসেনের নেতৃত্বে রজব আলী, আজাদ হোসেনসহ দলবল নিয়ে আচমকা আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এসময় বাঁধা দিলে আমার বৌমা মঞ্জুুয়ারা বেগমকে বেধড়ক পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে। এতে তার মাথা ফেটে যায়। এঘটনায় হাসপাতালে ভর্তির পর আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং সি আর ২০৮/২৫।সংবাদ সম্মেলনে আরো জানান, লোকমান ও তার ভাই-ভাইপোরা আমাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। জেলও খাটিয়েছে। আমার বড় ছেলে আজহারুল ইসলাম এখনো জেলে রয়েছে। তিনি আরো বলেন, মিথ্যা মামলা দিয়ে একের পর এক হয়রানিতে পুলিশের ভূমিকাও রহস্য জনক। কোন রকম তদন্ত ছাড়াই পুলিশ আমাকে ধরে চালান দেয়। গত মঙ্গলবার ১০ মার্চ জামিনে মুক্তি পাই। তিনি লোকমান হোসেন গংদের মিথ্যা মামলা ও হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে সাংবাদিকসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মিথ্যা মামলায় রেহাই পেতে ভ্যান চালকের সংবাদ সম্মেলন
১২
